তেল চিনি চালসহ ১০ পণ্যে দাম বেড়ে যাওয়ার কারনে দিশেহারা ক্রেতা

তেল চিনি চালসহ ১০ পণ্যে দাম বেড়ে যাওয়ার কারনে দিশেহারা ক্রেতা

May 6, 2023 - 11:48
 0  2
তেল চিনি চালসহ ১০ পণ্যে দাম বেড়ে যাওয়ার কারনে দিশেহারা ক্রেতা

ঈদের পর বাজারে সব নিত্যপণ্যের দাম বাড়তি। এর মধ্যে দশ পণ্য- চাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, আলু, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, মাংস ও সব ধরনের সবজির বাড়তি দামে দিশেহারা ক্রেতারা।ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হলেও, সেই দামেও বিক্রি হচ্ছে না। কারসাজি করে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া চিনি ১৪০ টাকা করা হলেও বাজারে পণ্যটি মিলছে না। প্রতি কেজি আলুর দাম ১৫ ও পেঁয়াজ কিনতে ক্রেতার ২৫ টাকা বাড়তি ব্যয় করতে হচ্ছে।এবার নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরা ভুগেছেন সমানভাবে। বাজার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে চিকিৎসা, বাসস্থান, বস্ত্রের মতো মৌলিক চাহিদাগুলোতে ব্যয় কমিয়েছেন দেশের জনসংখ্যার বড় একটা অংশ। এতে সব চেয়ে বেশি ভুগেছেন  মধ্যবিত্তরা ।তিন দিন আগেই পাইকারি বাজারে ভালোমানের বড় আকারের পেঁয়াজের দাম ছিল ৩২ টাকা থেকে ৩৫ টাকা কেজি। আর মাঝারি আকারের অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের পেঁয়াজ পাইকারি বাজারে দাম ছিল কেজিপ্রতি ২৮ টাকা। আর খুচরা বাজারে বর্তমানে ভালোমানের পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা থেকে ৬২ টাকা পর্যন্ত। কিছু কিছু দোকানে আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। আর ছোট আকারের (নিম্নমানের) পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার বেশি দামে।তবে একাধিক বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে সরকার নির্ধারিত দামে তেল বিক্রি হচ্ছে না। অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এক লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা থেকে ১৮২ টাকা দামে। এক লিটার বোতলের সয়াবিন তেল ১৯৯ টাকা সরকার নির্ধারণ করলেও বিক্রি হচ্ছে ২০৫ টাকায়। আর ৫ লিটারের বোতল ৯৬০ টাকা হলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৯৬৮ টাকা দামে। এক লিটার সুপার পাম তেলের দাম ১৩৫ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে।ক্রেতাদের দিশেহারা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে ।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের পর চালের দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত আটটি টিম গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।অভিযান শুরুর পর অনেক ব্যবসায়ী দোকান ফেলে পালিয়ে গেছে। এসব ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পরবর্তীসময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বিশ্ববাজারের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা যাতে চালের বাজার অস্থির করতে না পারেন সেদিকে নজর রাখতে হবে। কোনো অনিয়ম পেলে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে বাজারে আরও বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow