তদারকিতে হেলথ রেগুলেটরি কমিশন কেন নয়

প্রকাশিত: ১৩ই অক্টোবর ২০২০ ০৮:১২:২০ | আপডেট: ১৩ই অক্টোবর ২০২০ ০৮:১২:২০ 18
তদারকিতে হেলথ রেগুলেটরি কমিশন কেন নয়

হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবায় অব্যবস্থাপনা নিয়ে রোগীদের অভিযোগ তদারকির জন্য হেলথ রেগুলেটরি কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।


এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন। স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালকসহ (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ১৭ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন রেখেছেন আদালত।আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

ড. বশির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হেলথ রেগুলেটরি কমিশন আছে। হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে রোগীদের অভিযোগ কমিশনে জানানো যায়। এই কমিশন রোগীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকে। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রায়শই অভিযোগ ওঠে। যে কারণে হেলথ রেগুলেটরি কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে ওই সম্পূরক আবেদনটি করা হয়।’
‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অধ্যাদেশ-১৯৮২’ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা চেয়ে হিউম্যান রাইটস ল’ইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ মো. শাহ আলম ২০১৮ সালের জুনে হাইকোর্টে রিটটি করেন। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২৪ জুলাই হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন।ড. বশির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হেলথ রেগুলেটরি কমিশন আছে। হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে রোগীদের অভিযোগ কমিশনে জানানো যায়। এই কমিশন রোগীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকে। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে প্রায়শই অভিযোগ ওঠে। যে কারণে হেলথ রেগুলেটরি কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে ওই সম্পূরক আবেদনটি করা হয়।’
‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অধ্যাদেশ-১৯৮২’ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা চেয়ে হিউম্যান রাইটস ল’ইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ মো. শাহ আলম ২০১৮ সালের জুনে হাইকোর্টে রিটটি করেন। এর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২৪ জুলাই হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন।এর ধারাবাহিকতায় গত মাসে হাইকোর্ট বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি (ইউজার ফি) নির্ধারণের অগ্রগতি জানাতে বলেন। একই সঙ্গে ১৯৮২ সালের দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশন) অধ্যাদেশের বিধান যুগোপযোগী করে নতুন আইন প্রণয়নের অগ্রগতিও জানাতে বলা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি শুনানির জন্য ওঠে। রাষ্ট্রপক্ষ আজ আদালতে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করে। এর আগে রিট আবেদনকারীপক্ষ হেলথ রেগুলেটরি কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে ওই সম্পূরক আবেদনটি করে। শুনানি নিয়ে আদালত ওই রুল দেন।

লগইন করুন


পাঠকের মন্তব্য ( 0 )