বিমাশিল্পে সংস্কারের প্রত্যাশা

প্রকাশিত: ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:২৪:১১ | আপডেট: ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:২৪:১১ 3
বিমাশিল্পে সংস্কারের প্রত্যাশা

২০০৪ সালের এক পড়ন্ত বিকেল। বসা ছিলাম তখনকার অর্থমন্ত্রী প্রয়াত এম সাইফুর রহমানের সামনে। ফোনে তিনি কারও সঙ্গে বাংলাদেশের বিমা খাতের অবস্থা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর দেহ-ভাষা বুঝে আমার ধারণা হলো, তিনি দেশের বিমাশিল্প কোন দিকে যাত্রা করছে, সে সম্পর্কে নিশ্চিত নন। যখনই তাঁর ফোনের আলাপ শেষ হলো, তখনই তাঁকে এক অনাহূত পরামর্শ দিলাম। বললাম, আমাদের বিমা খাত থাকা উচিত অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়। সাইফুর রহমানকে যাঁরা জানেন, তাঁরা অনাহূত কোনো পরামর্শের প্রতি তাঁর গুরুত্ব না দেওয়ার অভ্যাসটি সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল। কিন্তু কোনো অজানা কারণে তিনি আমার কথা শোনার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমি ভারতসহ পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশের উদাহরণ টেনে বললাম, সেখানে সার্বিক আর্থিক খাত, বিশেষ করে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পরিসর বাড়াতে বিমা খাত কীভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিমাব্যক্তিত্ব শামসুল আলমকে বিমা খাতের সার্বিক গতি-প্রকৃতি পর্যালোচনা করে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ওই পর্যালোচনার নিরিখে গঠিত কমিটি সুনির্দিষ্ট কিছু সুপারিশও করেছিল। তাদের ওই সুপারিশ ও উন্নয়ন–সহযোগীদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) গঠন করা হয়, যা কার্যকর হয় বর্তমান সরকারের আমলে।

লগইন করুন


পাঠকের মন্তব্য ( 0 )